Search
Close this search box.

নখ দেখে যেভাবে রোগের আভাস পাওয়া যায়

আপনার নখ দেখে সামগ্রিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে একটা আন্দাজ পাওয়া সম্ভব, তা কি আগে জানতেন? 

শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলে যেমন আপনার ত্বক আর চুল স্বাস্থ্যের আভায় ঝলমল করে!

ঠিক তেমনটাই হওয়া উচিত আপনার নখেরও।

কিন্তু তা যদি না হয়, তা হলে বুঝতে হবে যে নখ নিজের মতো করে আপনাকে বার্তা দিচ্ছে শারীরিক সমস্যার।

কিন্তু আপনি তার ভাষাটা পড়তে পারেন না বলে বুঝতেই পারছেন না!

মনে রাখবেন, শারীরিক কোনও অসুবিধার সর্বপ্রথম লক্ষণ ধরা পড়ে নখে।

তখনই ধরা পড়লে বেশিরভাগ সমস্যা সারেও তাড়াতাড়ি।

নখে হলুদের ছোপ পড়েছে: 

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের নখে হলদেভাব আসে।

অ্যাক্রেলিক নখ বা অতিরিক্ত নেল পলিশ ব্যবহার করলেও নখ হলুদ হয়ে যেতে পারে।

আর আপনি যদি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ধূমপান করেন, তা হলেও নখ হলদেটে হয়ে যায়।

তবে হলদেটে হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি নখ মোটা হয়ে ভেঙে যেতে আরম্ভ করে, তা হলে কিন্তু সাবধান।

কোনও ইনফেকশনের কারণে বা থাইরয়েড বেড়ে গেলে সাধারণত এমনটা হয়।

নীলচে নখ: 

নখে নীলচে ছোপ পড়ার কারণ একটাই,আপনার শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি রয়েছে।

সম্ভবত ফুসফুস বা হার্ট সংক্রান্ত কোনও সমস্যার জন্যই নখে নীলচে ছোপ পড়ছে।

নখের মাঝখানে আড়াআড়ি দাগ: 

সাধারণত বড়ো কোনও অসুখবিসুখ থেকে সেরে ওঠার সময়েই এমনটা হতে দেখা যায়। শরীর তখন সর্বশক্তি দিয়ে পুরোনো সুস্থতার জায়গায় ফিরতে চাইছে।

নখের পুনর্গঠন তাই বাধাপ্রাপ্ত হয়।

সমস্যা খুব বেড়ে গেলে বা নখ ভঙ্গুর হয়ে গেলে একবার আপনার ডাক্তারকে অবশ্যই জানাবেন।

পুষ্টিকর খাওয়াদাওয়া করলে এই সমস্যা সেরে যাওয়ার কথা।

যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁরা একবার রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক আছে কিনা দেখে নেবেন অবশ্যই।

নখের রং সাদা কিন্তু চারপাশে গাঢ় বর্ডার: 

লিভারের কোনও সমস্যা হলে নখের রং সাদা হয়ে আসে।

জন্ডিস বা হেপাটাইটিসের সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের এমনটা হতে পারে।

বিলিরুবিন কমলেই নখ আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে সাধারণত।

শুকনো, ফাটা, ভঙ্গুর নখ: 

নখ শুকনো হতে আরম্ভ করলেই এরকম হয়।

যাঁরা নিয়মিত সাঁতার কাটেন, সস্তা নেলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করেন, বাসন মাজতে হয়, বারবার সাবান বা কোনও রাসায়নিক ব্যবহার করে হাত ধোওয়ার অভ্যেস আছে, তাঁদের এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

হাইপোথাইরয়েডের সমস্যাতেও নখ ভেঙে যায়।

নখে ময়েশ্চরাইজার লাগিয়ে দৈনন্দিন কাজকর্ম করলে বা সাঁতার কাটতে নামলে এই সমস্যা কমতে পারে।